জয়িতা ভট্টাচার্যর দুটি কবিতা --
পর্যটন--
বৈষ্ণবী খুঁজে ফেরে পরশপাথর।
কলমী শরীরে পর্যটন।
মধুপের লোভে ফুল পাখা মেলে
আড়মোড়া ভেঙে জেগে ওঠে রাত।
দীর্ঘদেহী আসে ফকির
আসে কঠিন বেশে।
বৈষ্ণবী যায় পর্যটনে
মোহিনী রাত জেগে।
বৈষ্ণবী পায় তীর্থের জল,
ডুব দিয়ে সে ভেজায় বেণী,
কলমী ঝোপে লুকিয়ে থাকে সাপ।
অভয় ফকির পিছন ফেরে
কন্ঠিমালা গলায় তোলে,
কালো মেঘেও উদ্দিপনের তাপ।
দেহসখ্য শেষে নির্জীব রাত রইবে পড়ে।
প্রথম পাখি ধরবে ছুটে প্রথম লোকাল
সুয্যিপুরে।
পথেরধুলো
ভৈরবী গায় পর্যটন শেষে।
নিশান
তত রাখঢাক নেই
অত কথাও বলি না
কারন কখন একটা শলাকা এসে চিরে দেবে
শব্দের বুক আমি জানি না।
জিভ কেটে ঢুকিয়ে রেখেছি ওয়ারড্রোবে।জঙ্গলে।
ততটা বুদ্ধি আমার নেই তাই
বুঝি না বিপদ আসবে কোন সীমান্তে।
সমস্ত আঙুল কেটে প্রায়শ্চিত্ত
সমস্ত কাটা আঙুল তোমার উঠোনে।
এখন এক টুকরো স্বস্তির খোঁজে
ঘুরে আসি চাঁদের দোকানে।মধ্যরাতে।