তপন তরফদারের দুটি কবিতা--
নিজের যোগ্যতার বেড়া না ডিঙিয়ে
মনের অজ্ঞতার মেগাপিক্সল মোবাইলে ফুটে ওঠে
এক সত্যম শিবম সুন্দরমের চাবির চিহ্ন
বিশুদ্ধ সুন্দরকে ভেদ করে মগজ জানতে চায়
নিত্যদিন অক্ষরমালার কত পিরামিড হয়
হিসাব রাখেনা তার ভবঘুরে বা অর্থনীতিবিদরা।
গুগুল ডট কম জানে না কত পাঠক কবিতা পড়ে
কখন কত পাঠিকা বালিশে বুক রেখে
সিরিয়াল ছেড়ে সৃষ্টি রহস্যে বুঁদ হয়ে থাকে।
তবে কি চাহিদার থেকে যোগান বেশি-
ওএলএক্স বেচেনা, কেউ হিসাব রাখেনা
আবার কবিরা গভীর গোপনেও জানতে পারেনা
মেঘ থেকে বৃষ্টি হল না শুধুই বজ্রপাত দিল
আবার
কোন কোন পিরামিডের অন্তরালে থাকে ক্লিওপেট্রারা
যারা মৃত মমিতেও প্রাণ সঞ্চার করে।।
২ সহে না যাতনা
হলুদ আলোয় রজনীগন্ধার মালা পরে
কানাগলিতে বক্সে বক্সে সংগীত শুনে
ফিউশনের জারকে তুমি জর্জরিত। এখন
শুধু পটে আঁকা ছবি নও, বিকিয়ে গেছ ডলারে।
তোমার ব্রহ্মচর্য্যের ছাতিমতলার উপাসনার মাটি
খোয়াই এর নুড়ি-পাথর দূষিত দোলের আবিরে।
পলাশের পাপড়ি পায়ে পায়ে পদদলিত
কোকিলের কুজনে কোটেশান ভেসে ওঠে আকাশে।
ঋষির বাণী - হাততালি, ফানুস চুপসে যায় গগনে
আমরা তোমার কথা বলি - কথা রাখিনা।
শরীরের শিরা উপশিরায় অনুভবের আবেশে
দ্যুতি গন্ধ ভরা নিঃসাড় চেনা-অচেনার
ঝরা পাতার শব্দ - শুধুই আমির আমি।
এই দহনকালে - অর্ধ লক্ষ পার করা
‘দিবস রজনী’ - সহেনা যাতনা।
প্রাণেতে প্রতিষ্ঠা করার এই তো মাহেন্দ্রক্ষণ
চোখ ধাঁধানো আলোর অন্ধকার নয়
চাই, উজ্জ্বল রবির কিরণ - চাই সর্বত্রই।।
মনের অজ্ঞতার মেগাপিক্সল মোবাইলে ফুটে ওঠে
এক সত্যম শিবম সুন্দরমের চাবির চিহ্ন
বিশুদ্ধ সুন্দরকে ভেদ করে মগজ জানতে চায়
নিত্যদিন অক্ষরমালার কত পিরামিড হয়
হিসাব রাখেনা তার ভবঘুরে বা অর্থনীতিবিদরা।
গুগুল ডট কম জানে না কত পাঠক কবিতা পড়ে
কখন কত পাঠিকা বালিশে বুক রেখে
সিরিয়াল ছেড়ে সৃষ্টি রহস্যে বুঁদ হয়ে থাকে।
তবে কি চাহিদার থেকে যোগান বেশি-
ওএলএক্স বেচেনা, কেউ হিসাব রাখেনা
আবার কবিরা গভীর গোপনেও জানতে পারেনা
মেঘ থেকে বৃষ্টি হল না শুধুই বজ্রপাত দিল
আবার
কোন কোন পিরামিডের অন্তরালে থাকে ক্লিওপেট্রারা
যারা মৃত মমিতেও প্রাণ সঞ্চার করে।।
২ সহে না যাতনা
হলুদ আলোয় রজনীগন্ধার মালা পরে
কানাগলিতে বক্সে বক্সে সংগীত শুনে
ফিউশনের জারকে তুমি জর্জরিত। এখন
শুধু পটে আঁকা ছবি নও, বিকিয়ে গেছ ডলারে।
তোমার ব্রহ্মচর্য্যের ছাতিমতলার উপাসনার মাটি
খোয়াই এর নুড়ি-পাথর দূষিত দোলের আবিরে।
পলাশের পাপড়ি পায়ে পায়ে পদদলিত
কোকিলের কুজনে কোটেশান ভেসে ওঠে আকাশে।
ঋষির বাণী - হাততালি, ফানুস চুপসে যায় গগনে
আমরা তোমার কথা বলি - কথা রাখিনা।
শরীরের শিরা উপশিরায় অনুভবের আবেশে
দ্যুতি গন্ধ ভরা নিঃসাড় চেনা-অচেনার
ঝরা পাতার শব্দ - শুধুই আমির আমি।
এই দহনকালে - অর্ধ লক্ষ পার করা
‘দিবস রজনী’ - সহেনা যাতনা।
প্রাণেতে প্রতিষ্ঠা করার এই তো মাহেন্দ্রক্ষণ
চোখ ধাঁধানো আলোর অন্ধকার নয়
চাই, উজ্জ্বল রবির কিরণ - চাই সর্বত্রই।।
No comments:
Post a Comment